শনিবার সায়াহ্নে ভক্তিভরে শনিদেবের পূজা করুন,পান সুখ-শান্তি সমৃদ্ধির নতুন ঠিকানা

0

সমাচার ডেস্ক: অন্যান্য ঠাকুর দেবতার নাম মুখে আনার নিয়ম থাকলেও, শনি ঠাকুরের নাম মুখে আনতে নেই। সর্বদাই বড়বাবা, বড়ঠাকুর, গ্রহরাজ ইত্যাদি বলতে হয়। আবারও কখনই শনিদেবের মুখের দিকে তাকিয়ে প্রণাম করতে নেই। এই কাজের ফলে শনিদেবের অশুভপ্রভাব এবং কুদৃষ্টি পড়তে পারে আপনার উপর।ধ্বংস নয় সৃষ্টি শনিদেব কে প্রসন্ন করুন আজকের দিনে; জীবনে নিয়ে আসুন সুখ সমৃদ্ধি।

ব্যক্তির কর্মের ন্যায় বিচার করে তার যথাযোগ্য ফল দিয়ে থাকেন শনি। পাপ কর্মের জন্য যেমন তিনি ব্যক্তিকে দণ্ডিত করেন, তেমনই ভালো কাজ করলে পুরস্কৃত করেন। শাস্ত্রে শনির রোষ থেকে বাঁচার বেশ কয়েকটি উপায় বলা রয়েছে। আ

দিনে শনিদেব কে তুষ্ট করুন; মহাপ্রলয় মহা সংকটের হাত থেকে রক্ষা কর্তা উনি বর্তমানে মহামারী ও বিশ্ব সঙ্কটের দিনে যেন সকলের কাছে এক ভয়াবহ দিন । স্মরণ করুন তুষ্ট করুন শনি দেবতা কে। শনিদেব সূর্যদেব এবং মাতা সংজ্ঞার পুত্র এবং কন্যা যমদেব ও যমুনা দেবীর অনুজ ভ্রাতা। অন্যান্য দেব দেবীর মটি শনিদেবের কিন্তু একজন বাহন রয়েছেন। যার পিঠে চড়ে তিনি দেবলোকের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন। শনিদেবের বাহন কাক, তাঁর এক বন্ধুর মতই ছিলেন।

এর অনেক পৌরাণিক কাহিনী রয়েছে যা কিরে রয়েছে নানান উৎকণ্ঠা ও লোমহর্ষক কাহিনী।ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে একদিন শনি দেবের স্ত্রী দেবী ধামিনী সুন্দর বেশভূষা নিয়ে তার কাছে এসে কামতৃপ্তি প্রার্থনার জন্য এসেছিলেন। কিন্তু ধ্যানমগ্ন শনি সেদিকে খেয়ালই করেন না।

যার ফলে অতৃপ্তকাম পত্নী শনিকে অভিশাপ দিলেন, ‘আমার দিকে একবারও তুমি ফিরেও চাইলে না। ঠিক আছে এরপর থেকে তুমি যার দিকে চাইবে, সে-ই ভস্ম হয়ে যাবে’। তবে অনেকের মত ঘটনাটি মঙ্গলদেবের চক্রান্তে হয়েছিল।

শনিদেবকে প্রসন্ন করার জন্য এবং শনিদোষ থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ পুজোর বিধান রয়েছে, শনি জয়ন্তীর দিন এই পুজো বিশেষ উপযোগী। তাছাড়াও যে ব্যক্তি গরিবের সেবা করেন, তাঁর ওপর শনিদেব প্রসন্ন হন।