গন্তব্যে পৌঁছতে শ্রমিক ট্রেন, প্রথম পাঁচে বাংলা

0

রাজীব ঘোষ:- ১ মে থেকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চলা শুরু হয়েছে। ৪১৫৫ ট্রেনে করে ৫৭ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছে গিয়েছেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর জন্য উদ্যোগ নিচ্ছে না রাজ্য সরকার। এই অভিযোগ করে আসছিল বিরোধীরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন বাংলার শ্রমিকরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে রয়েছেন। তাদের ফেরানোর উদ্যোগ নিচ্ছে না রাজ্য সরকার। রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেছেন রাজ্য সরকার বাংলায় পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর জন্য ট্রেন চাইছে না। বিরোধী রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর জন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে একাধিকবার অভিযোগ করা হয়।

 

কিন্তু পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, গন্তব্য রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের পৌঁছানোর নিরিখে প্রথম পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে বাংলা উঠে এসেছে। রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান চিঠি লিখে জানিয়েছেন এখনো পর্যন্ত কোন রাজ্য চাইলে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ট্রেন পেতে পারে। তবে রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের কথায়, পরিযায়ী শ্রমিকরা অনেকেই তাদের গন্তব্য রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন। আর বেশি ট্রেন চালানোর বোধহয় আর প্রয়োজন পড়বে না। রবিবার রেলওয়ে ৬৯ টি ট্রেন চালিয়েছে। সোমবার পর্যন্ত অতিরিক্ত ৩১৫ ট্রেন চালানোর জন্য আবেদন এসেছে।

 

এই পর্যন্ত গন্তব্য রাজ্যের নিরিখে যে পাঁচটি রাজ্য প্রথম তালিকায় উঠে এসেছে, তার মধ্যে উত্তর প্রদেশ ১৬৭০ ট্রেন, বিহার ১৪৮২ টি ট্রেন, ঝাড়খন্ড ১৯৪ টি ট্রেন, উড়িষ্যা ১৮০ ট্রেন, এবং বাংলা ১৩৫ টি ট্রেন চলেছে। গন্তব্য রাজ্য হল যেখানে গিয়ে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন থেমেছে। যেসব রাজ্য থেকে ট্রেন চালু হয়েছে, তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ এবং বিহার। বিরোধীরা একাধিকবার রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উদ্দেশ্যে অভিযোগ জানিয়ে আসছিল, পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরানোর জন্য সরকার কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তবে রেল মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, গন্তব্য রাজ্যের শ্রমিক ট্রেন চলার নিরিখে বাংলা প্রথম পাঁচ রাজ্যের মধ্যে এসেছে।