স্টাফ রিপোর্টারঃ এক আশ্চর্য অবিশ্বাস্যা জনক  ঘটনা ঘটেলো এই ব্যাঙ্কে । এক ব্যাঙ্ক কর্মচারী বলল্লেন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পুনরায় চালু করার জন্যইন্সুরেন্স দিয়ে চালু করতে হবে । ঘটনাটি রত্নেশ্বরপুর স্টেট ব্যাঙ্ক ব্রাঞ্চের এক ব্যাঙ্ক কর্মী- তারক । সময় সকাল ১১:৪৪ টায় ।এই পুরো ঘটনা  ক্রমের ভিডিও সহ বিস্তারিত কিছু কথা ফেসবুকের পোস্ট করেছেন এনি ।




স্বামি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালু করার  এ জন্য তার স্ত্রী ও ছেলে দরকারি কাগজ নিয়ে ব্যাঙ্কে যায় । ব্যাংকের এক কর্মচারী সঙ্গে দেখা করে তারা। সেই কর্মচারী বলেন আগের টেবিলে দেখা করতে।
এর পর ছেলে ও মা যান সেই টেবিলে । সেই টেবিলে কর্মচারী কিছু ফ্রম ভর্তি করতার আদেশ দেয় , “দাদা একটা ৫০০ টাকা জমার, একটা ২০০০ টাকা জমার আর একটা ১০০ টাকা তোলার ফর্ম দিয়ে দাও।

তাদের সামনে থাকা  লোকটি কোনটি কিসের ফর্ম সেটা মা ও ছেলেকে বুঝিয়ে দেন । তারা পর  ফ্রম গুলো নিয়মানুসারে প্রথমে ২০০০ টাকা ও ৫০০ টাকা জমার ফর্মটি পূরণ করতে গেলে দেখতে পায়  সেটাতে দেখি নামের জায়গায় লেখা “Debit”। আমার সন্দেহ হয় যে, জমা দেওয়ার জায়গায় “Debit” লেখা কেন?


যিনি ফর্মটা দিয়েছিলেন তাকে জিজ্ঞেস করলেন তারা, জবাবে বললেন, এটা ইন্সুরেন্স-এর জন্য। আমি বললাম- বাবার নামে একটা ইন্সুরেন্স আছে, আর ইন্সুরেন্স করার ইচ্ছে নেই। উনি বললেন, “সেটা ওনাকে গিয়ে বলুন”।
আমি আগের কর্মচারীর(ভিডিও ব্যাক্তি) টেবিলের সামনে এসে জিজ্ঞেস করলাম, দেখুন আমরা ইন্সুরেন্স করাবো না। একটা ইন্সুরেন্স আছে, সেটা চালানো চাপ হয়ে যাচ্ছে।

 

কর্মচারী বলে উঠলেন ইন্সুরেন্স না করলে অ্যাকাউন্ট চালু হবে না।
আমি- এরকম কোনো নিয়ম হয়েছে কি?
কর্মচারী- অনেকে অ্যাকাউন্ট খুলে আর কখনও ব্যাঙ্কে আসে না। সেইজন্য ইন্সুরেন্স করতেই হবে।
আমি- এটা কি নিয়ম হয়েছে?উনি এবার মেজাজ দেখিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। বলেন, সোমবার ম্যানেজার আসবে ওনার সঙ্গে কথা বলবেন।

নতুন নিয়ম আমার জানা নাও থাকতে পারে। আবার এদের পুরোপুরি বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। তাই আমি ভিডিও করতে শুরু করি।
আমি ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের ফোন নম্বর চাইলে বলেন, দেওয়া যাবে না।
তখন আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করি, আপনি বলছেন ইন্সুরেন্স না করলে পুরানো অ্যাকাউন্ট চালু করা যাবে না, তাইতো?
ভিডিও হচ্ছে দেখে উনি কোনো উত্তর দেন না।
এতে আমার সন্দেহ গাঢ় হয়। পরবর্তী প্রায় ১ মিনিট ১৩ সেকেন্ড-এর ঘটনা ভিডিও তে পেয়ে যাবেন।



এর পর সে ব্যাঙ্ক মেনেজারকে ফেন করে, স্যার রত্নেশ্বরপুর ব্রাঞ্চ থেকে বলছি। একটু দরকার ছিল। আপনি কি ব্যস্ত আছেন?
ম্যানেজার- মিটিং-এ আছি। আপনি ব্যাঙ্কে যান।
আমি- ব্যাঙ্কে গিয়েছিলাম, সেখানে একটু সমস্যা হয় সেই কারণে ফোন করেছি।
ম্যানেজার বলল্লেন “বিকালে করুন “, বলেই ফোন কেটে দিলেন।


পুনশ্চ- ব্যাঙ্কে পুলিশ কর্মী থাকার নিয়ম বলে জানি, পাল্টে গেল কিনা জানি না। এটা মন্দির বাজার থানার অধীনস্থ, পুলিশের কর্মকর্তারা কি বলতে পারবেন, দুপুর ১১টা ৪৪ মিনিটে কার ডিউটি ছিল? কোথায় গেছিলেন তিনি???

শেষ মুহূর্তে সে বলে আমি আজ চলে যাচ্ছি। আপনারা থাকবেন। যখন প্রতিবাদ করছিলাম, কেউ পাশে দাঁড়ান নি। শুধু সিরিয়াল দেখার মতো মজা দেখে গেছেন।সবাই ভালো থাকুন, ব্যাঙ্কের অভিজ্ঞতা সবার সুখকর হোক।