নির্যাতিতা ‘ফ্যাগমেন্টেড মেমোরি’-তে আক্রান্ত ! পঞ্চসায়রের ঘটনায় আদৌও গণধর্ষণ, ধোঁয়াশায় পুলিশ !

0

ওয়েব ডেস্কঃপঞ্চসায়র গণধর্ষণ মামলায় রীতিমতো ধোঁয়াশায় মধ্যেই রয়েছে পুলিশ । তদন্তের পর আদৌও গণধর্ষণ হয়েছিল কি না সে জটলাও কাটেনি ৷ একদিকে  নির্যাতিতা ‘ফ্যাগমেন্টেড মেমোরি’-তে আক্রান্ত ও অন্যদিকে ধৃত ট্যাক্সিচালক উত্তম রাম সে দিন অত্যধিক মদ্যপান করেছিল । তারও স্মৃতিশক্তিতে ধোঁয়াশায় । জবানবন্দীতে  গণধর্ষণের অভিযোগ আনেন তবে সেই পথেই তদন্তের কাজ এগোতে হবে । সে ক্ষেত্রে মেডিকেল রিপোর্টও ততটা গুরুত্ব পাবে না । যদিও এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত মেডিকেল রিপোর্ট পুলিশের হাতে এখনো আসেনি । নির্যাতিতার CCTV ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে । গণধর্ষণের বিষয়টিতে ধন্দ কাটাতে আগামীকাল আদালতের সামনে নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দী নেওয়া হবে । যেহেতু তিনি বিশেষভাবে সক্ষম, সে কারণে এই জবানবন্দী নেওয়ার সময় রাখা হবে একজন বিশেষজ্ঞ ।

প্রসঙ্গত, ঘটনার তদন্তে নেমে পাঁচদিন পর শনিবার রাতে উত্তম রামকে গ্রেপ্তার করা হয় । ধৃত এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে জেরায় স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের । ঘটনার পরের দিন পঞ্চসায়র থানায় গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিল নির্যাতিতার পরিবার । যদিও তদন্তে নেমে পরিবারের তরফে অভিযোগের বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি খুঁজে পায় পুলিশ । পাশাপাশি প্রাথমিক মেডিকেল রিপোর্টেও ধর্ষণের প্রমাণ মেলেনি বলে জানা গেছে ।ধন্দ বাড়িয়েছে আরও একটা বিষয় । ঘটনার পরেই নরেন্দ্রপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় নির্যাতিতাকে । সে সময় ওই থানার মহিলা পুলিশ কর্মীরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁকে । সেই জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিয়ো রেকর্ডিং করা হয় । সেটি সিজ় করেছে কলকাতা পুলিশ । সেই ভিডিয়ো রেকর্ডিং-এ দেখা যাচ্ছে, পুলিশের কাছে নির্যাতিতা বলছেন, “আমায় জোর করে ট্যাক্সিতে তুলে নিয়ে আসে দু’জন । তারপর আমায় মেরেছে । ধাক্কা মেরে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েছে ।” অর্থাৎ সেখানে নির্যাতিতা ধর্ষণের অভিযোগ আনেননি । পরের দিন তাঁর পরিবারের তরফে আনা হয় গণধর্ষণের অভিযোগ ।