শাশুড়ি, ননদ ও জামাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো অভিযোগ বউমা সহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে

0

হক জাফর ইমাম, মালদা:শাশুড়ি সহ ননদ, জামাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো অভিযোগ বউমা সহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে এমন কি ছাড়া পায়নি তিন মাসের নাতিও। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চারজন চিকিৎসাধীন মালদা মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে। থানায় বউমা সহ তার বাপের বাড়ির ৬ জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা মানিকচক থানার নুরপুরের সবজি পাড়ায় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যখম হলেন শাশুড়ি হালেমা বিবি (৫0)মেয়ে আরজিনা বিবি (৩০) জামাই সাদ্দাম হোসেন (৩৫) ও তিন মাসের নাতি মতিউর শেখ। সাদ্দামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিঠে ও মাথায় কোপানো হয়েছে। শাশুড়ি ও মেয়েকে মাটিতে ফেলে এলোপাথাড়ি পেটানো হয়েছে। জানা গেছে,একই বাড়িতে বাস শাশুড়ি ও ছেলে কামাল মিয়ার। কামাল মজুরের কাজে ভিন রাজ্যে রয়েছে। বাড়িতে আছে অভিযুক্ত বউমা তারা স্ত্রী।

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকালে। এদিন শাশুড়ি হালেমা বিবি তাদের বাড়ির কাছে বাঁধের ওপর আমের পাতা শুকোতে দিয়েছিলেন। আমের পাতাগুলি শুকিয়ে গেলে সেগুলি একটি বস্তার মধ্যে ভোরে বস্তাটি বাড়ির দিকে নিয়ে আসছিলেন। ওই সময় বস্তা থেকে চার পাঁচটি পাতা বৌমার উঠোনে পড়ে যায়। এই নিয়ে তীব্র ঝামেলা বাধায় অভিযুক্ত বৌমা। শাশুড়ি হালেমা বিবি পাতাগুলি সরিয়ে নেওয়ার কথা বললেও তীব্র ঝগড়া বাধিয়ে দেয় সে। বৌমা খবর দেয় তার বাপের বাড়ির লোকেদের। সঙ্গে সঙ্গে বাপের বাড়ির লোকেরা হাসুয়া, পিস্তল নিয়ে ছুটে আসে হালিমা বিবিকে মারতে। হালিমা বিবি উপরে মারধর শুরু করলে প্রতিবাদ করেন জামাই সাদ্দাম হোসেন ও মেয়ে আরজিনা বিবি। তাদেরকেও এলোপাথাড়ি মারা হয় এবং সাদ্দাম কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে বলে অভিযোগ। ৪ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিয়ে আসে মালদা মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতাল। জখম হালিমার ছেলে সোনো মিয়া অভিযোগ করে বলেন, বৌদি কিছুতেই সহ্য করতে পারে না আমাদের।যেকোনো বাহানায় আমাদের ওপর নির্যাতন চালায়। পুলিশ জানিয়েছে অভিযুক্তরা হল, তারা বিবি, তার বাবা নুরুল মিয়া, তিন দাদা জামাল মিয়া, আফসার মিয়া ও আজিজুল মিয়া। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক। অভিযুক্তদের খোঁজে নেমেছে পুলিশ।