ফ্ল্যাট খালির তালিকায় রাহুলের সরকারি বাসভবন

ওয়েব ডেস্ক:লোকসভা নির্বাচনে খারাপ ফলের জেরে কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন রাহুল গান্ধী। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এখনো টানাপোড়েন চলছে শতাব্দী প্রাচীন দলটির অন্দরমহলে। ঠিক এ সময়ে দিল্লিতে তার দীর্ঘদিনের বাড়িটি খালি করার তোড়জোড় শুরু করেছে লোকসভার সচিবালয়।

সম্প্রতি লোকসভার সচিবালয় থেকে প্রকাশিত একটি বি়জ্ঞপ্তিতে মোট ৫১৭টি ফ্ল্যাট ও বাংলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। যেগুলো খালি করে নবনির্বাচিত এমপিদের দেয়া হবে। ওই তালিকায় রয়েছে ১২ নম্বর তুঘলক লেনে থাকা রাহুল গান্ধীর সরকারি বাসভবনটিও।

২০০৪ সালে আমেঠিতে থেকে প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। তারপর ১২ নম্বর তুঘলক লেনের ‘টাইপ-৮’ ক্যাটাগরিভুক্ত বাড়িটি বরাদ্দ করা হয়েছিল তার নামে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে বরাদ্দ করা ওই বাড়িটির পরিবর্তন করা হয়নি তারপর থেকেই। ২০১৪ সালে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দেশের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কিন্তু, তখনো রাহুলের বাংলো বদলের চেষ্টা করেনি কেন্দ্র।

কিন্তু, এবার লোকসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হতেই বদলে গিয়েছে পরিস্থিতি। কেরলের ওয়ানড় থেকে জিতলেও গান্ধী পরিবারের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত আমেঠিতে হারতে হয়েছে তাকে। গত ২৩ মে ফলাফলের প্রকাশের পরেই ৫১৭টি ফ্ল্যাট ও বাংলোকে চিহ্নিত করেছে লোকসভার সচিবালয়। যেগুলো বরাদ্দ করা হবে নবনির্বাচিত এমপিদের সিনিয়রিটি মেনে।

এ তালিকায় থাকা রাহুলের বাংলো সম্পর্কে তাদের যুক্তি, রাহুল গান্ধী চারবারের এমপি। তাই তার জন্য টাইপ-৮ বাংলো বরাদ্দ হতে পারে না। কারণ, এ ধরনের বাংলোগুলো সাধারণত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রবীণ এমপিরাই পেয়ে থাকেন। আর রাহুল গান্ধী নিশ্চয় প্রবীণ নন।

কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে মোদি সরকারের ষড়যন্ত্র বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও এ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে রাহুল গান্ধী এখনো কোনো মন্তব্য করেননি।