জাপানকে তছনছ করে দিতে আসছে বিষাক্ত ঝড় “হাগিবিস”

 প্রকৃতি যখন তার ভয়ঙ্কর রূপ দেখায় তখন বাস্তব তার পায়ের তলার মাটি হারিয়ে ফেলে। ভয়ংকর ঝড় “হাগিবিস” জানলা দরজা বন্ধ করে বসে রয়েছেন সেখানকার মানুষ। অনেক আগেই থমকে গিয়েছিল জীবনযাত্রা।

হাগিবিসা আছড়ে পড়তে পারে যেকোনো সময়। শক্তি বাড়িয়ে একটু একটু করে জাপানকে গ্রাস করতে এগিয়ে আসে এই ঝড়।জাপানের আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার এই ঘূর্ণিঝড় এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে টোকিওতে 130 মাইল প্রতি ঘন্টা বেগে। আছড়ে পড়বে ঝড় সঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টি। নাসা শনাক্ত করেছেন। হাগিবিসের গতিপথ সনাক্ত করেছে নাসার ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নোয়া)-র পাঠানো সুয়োমি এনপিপি স্যাটেলাইট।

নাসা জানিয়েছে, শতাব্দীর এটাই সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় হতে চলেছে। আজ থেকে সমস্ত উড়ান বাতিল করে দিয়েছে এয়ারওয়েজ কোম্পানিগুলো 558 টি ও 540 টি উড়ান বাতিল করেছে বিভিন্ন সংস্থা. । রাস্তায় বন্ধ বাস ট্রেন চলাচল সকালের পর থেকে বুলেটসহ সমস্ত ট্রেন বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছে জাপান সরকার। প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোলো নিষেধ করেছেন।

 বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত বছরের বিধ্বংসী সামুদ্রিক ঝড়ের ধ্বংসলীলা দেখেছিল পশ্চিম জাপান। তাপমাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল মৃত্যু হয়েছিল বহু মানুষের। হাজার 1958 সালের ঘূর্ণিঝড় সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জাপান। সেবার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মৃত্যু হয়েছিল নিখোঁজ ছিলেন বহু মানুষ। ঘূর্ণিঝড় কতটা বেশি হবে

অন্তত 14 00 কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সমস্ত দিক দিয়ে প্রস্তুত থাকার কথা বলেছেন। সকলকে বায়ুসেনা উদ্ধারকারী দলগুলোকেও মোকাবিলায় সমস্ত রকম মন্ত্রকে একসঙ্গে কাজ করবার কথা বলেছেন। সংবাদমাধ্যমগুলোর তৈরি থাকবার কথা বলেছেন তিনি।