মোদীর বৈঠকে না,পৃথক মিটিং মমতার

0

রাজীব ঘোষঃ– করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করতে ১৫ টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত নাও থাকতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় তিনি নবান্নের চিকিৎসকদের সঙ্গে একটি পৃথক মিটিং ডেকেছেন। পঞ্চম দফার লকডাউন চলছে। অফিস, কাছারি, শপিংমল, হোটেল-রেস্তোরাঁ খুলে গিয়েছে। মানুষের যাতায়াত বৃদ্ধি পাওয়ার পরে করোনার সংক্রমণ বেড়ে গিয়েছে।

মহারাষ্ট্র, দিল্লির মতো রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সংকটের মধ্যে পড়েছে। দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। কেন্দ্র থেকে কোনো কিছু চাপিয়ে না দিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাইছেন মোদি। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। এরমধ্যে পাঁচজন মুখ্যমন্ত্রী বলার সুযোগ পেয়েছেন।

এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের আধিকারিকদের আলোচনায় জানা গিয়েছে, করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি নিয়ে পাঁচজন মুখ্যমন্ত্রী বললেই সমস্ত কমন পয়েন্ট বেরিয়ে আসবে। তবে সেখানে যদি অন্য কোনো বিষয়ে বলতে হয় অন্য মুখ্যমন্ত্রী সেটা যোগ করতে পারেন। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু বলতে পারবেন না। বাংলার কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।মোদী-শাহ ভয় পেয়েছেন। তাই শুধুমাত্র শ্রোতা থাকার মানে হয় না।

বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত না থাকলে দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই তিনি ওই সময় নবান্নে চিকিৎসকদের নিয়ে পৃথক মিটিং ডেকেছেন । এবার হয়তো কোভিড চিকিৎসা কিভাবে করতে হবে উনি বলবেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি বোঝেন। তবুও এটা নিয়ে তৃণমূল সংকীর্ণ রাজনীতি করছে ।

কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখবেন বাকি মুখ্যমন্ত্রীরা কিন্তু এটা নিয়ে রাজনীতি করছেন না। তৃণমূলের বক্তব্য, দিল্লি ভয় পাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ওদের ভুল ধরে ফেলেন, ওদের রাজনীতি বিষয়ে বলেন। প্রসঙ্গত ,এর আগে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা একটি ভিডিও কনফারেন্সের বৈঠকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পাঠানো কে কেন্দ্র করে অমিত শাহ কে নিশানা করে টেবিলের উপরে রাখা ফাইলে চাপড় দিয়েছিলেন মমতা। সেই দৃশ্য দেখে অন্য মুখ্যমন্ত্রীরা অবাক হয়েছিলেন।