লকডাইনের স্তব্ধতার মাঝেই নিল আকাশে শোভা পাচ্ছে কৃষ্ণচূড়া-রাধাচূড়া ! 

0

বসন্তের শেষ ও গ্রীষ্মের রোদ্রু , চলেছে লকডাউন ,জনহীন পথ । এর মাঝেই নিল আকাশের রঙিন রূপের শোভা দিচ্ছে কৃষ্ণচূড়া-রাধাচূড়া । প্রতিবছর এ সময়ে গাছে গাছে এবারও ফুটেছে কৃষ্ণচূড়া । তবে এবার সেই গাছের নিচে সেই সুন্দর দৃশ্য দেখার সাক্ষী কেউ নেই । এখনো এই দুই ফুল কৃষ্ণ ও রাধার প্রেমের কাহিনী সাক্ষী রাখে । প্রেমিক-প্রেমিকারা মতো ফুটে লাল-হলুদ কৃষ্ণচূড়া ফুল ।

লাল, হলুদ, সাদা ও নীল । এই রঙের সাথে প্রেম ও কামের এই যে সমন্বয় তা বলা বাহুল্য ।  এমনকি কোনো এক উদ্যম শরীরের কিশোরী, বলা যাক সুনীল বাবুর বরুণার কথা, তাঁর ভরাট বুকের সুগন্ধি রুমালেও খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেই সুগন্ধি গন্ধ কৃষ্ণচূড়ার দুয়ারে এসে ইন্দ্রীয় অতীত হয়ে যাবে নিমেষেই। রাধাচূড়া ও কৃষ্ণচূড়া এ সমাজের তরুণ তরুণীর অব্যক্ত কথাগুলোর সাক্ষী হয়ে থাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম। সাক্ষী হয় গল্প, কবিতা ও উপন্যাসের। 

 

ফুল তাঁর সৌন্দর্য দিয়ে মানুষকে কাছে টানে। যেমন- কাছে টানে প্রেয়সীর গোপন অভিসার। রাধা কৃষ্ণকে কাছে টানে। প্রেয়সী রাধাচূড়া কৃষ্ণচূড়াকে। রাধাচূড়া ও কৃষ্ণচূড়া পাশাপাশি না থাকলে একটা অপূর্ণতা থেকে যায়। মনে হয় কিছু একটা নেই। টিপের অনুপস্থিতি রূপবতী নারীর হিন্দল ললাটের সকল গরম আড়াল করে ফুটে ওঠে ঠিক তেমন। তাই রাধাচূড়া ও কৃষ্ণচূড়া পাশাপাশি থাকাই শ্রেয়। যেখানে কৃষ্ণচূড়া লাগানো, সেখানে যেন রাধাচূড়াও লাগানো হয়। কিন্তু এবার সেই সুন্দর দৃশ্য নিচে এবার প্রমের গল্প না থাকলেও দুই ফুলের দৃশ্য অতুল ।