শিক্ষকদের অসাধ্য সাধন! উঃমা সভাপতির ধন্যবাদঃ আম্ফান, করোনা তুচ্ছ করে শতাধিক স্টেশন থেকে দ্রুত রেজাল্ট আউট 

0

সমাচার ডেস্ক: একদিকে আরফানের এর প্রবল তীব্রতা। অন্যদিকে করোনা এর প্রবল দাপটে এর মাঝেই প্রচুর প্রতিকূলতাকে জয় করতে হয়েছে ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক থেকে আরম্ভ করে শিক্ষক-শিক্ষিকা সকলকে। তার মাঝেও শিশুদের স্বার্থ রক্ষা করে খুব দ্রুততার সাথে রেজাল্ট আউট করবার জন্য ব্যস্ত হয়ে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। আর এই বিশাল কর্মযজ্ঞে শিক্ষকরা নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে তৎপরতার সাথে রেজাল্ট আউট করেছেন। যার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন সভাপতি মহুয়া দাস।

মহুয়া দাস বলেন, এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১২ মার্চ। ২৭ মার্চ তা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে ২২ মার্চ থেকে ট্রেন পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপরেই শুরু হয় লকডাউন। সেই কারণে ২১ মার্চের পর আর পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। তার আগে ৩৭টি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। তিনদিনে ১৪ টি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এরপর তিনি আরও বলেন ১০০টি রেলস্টেশন ও থানায় উত্তরপত্র জমা ছিল। লকডাউনের মধ্যেও সংসদের কর্মীরা স্টেশন খুলিয়ে ও থানা থেকে সব উত্তরপত্র সংগ্রহ করেছেন। শুধুমাত্র করোনা সংক্রমণ নয়, উমফানেও অনেক বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল পরীক্ষকদের।

মহুয়া দাস জানিয়েছেন, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় উমফানের প্রভাব পড়েছিল। তার পরেও খাতাগুলো সংগ্রহ করা এবং সেগুলো কে যথাযথ নিরাপত্তা সাথে সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেওয়া কিন্তু খুবই কঠিন কাজ হয়েছিল।

সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে সমস্ত পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডল। কিন্তু তার মধ্যেও পরীক্ষার খাতা সংগ্রহ করা হয়। প্রতিটি পরীক্ষার খাতার সঠিকভাবে মূল্যায়ণ হয়েছে। পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকরা নিজেদের কাজ যথাযথভাবে পালন করেছেন।