ডক্টর এপিজে আবদুল কালাম ভারতবর্ষের গর্ব স্মরণীয়-বরণীয় পূজনীয় মৃত্যু দিবসের শ্রদ্ধার্ঘ্য

0

সমাচার ডেস্ক: “চিত্ত যেথা ভয় শূণ্য উচ্চ সেথা শির” সমস্ত ধর্মের উপরে উঠে তিনি মুসলিম জগত থেকে ছিলেন এমন এক প্রতীক দেশাত্মবোধ মন্ত্রে দীক্ষিত ছিলেন। তার মধ্যে ছিল না কোন ধর্মের প্রতি মোহ তিনি মানবতার ধর্ম শিক্ষা দিয়ে গেছেন প্রতি মুহূর্তে। তিনি আর কেউ নন ডক্টর এপিজে আবদুল কালাম।

ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র মানব’ নামে পরিচিত এ পি জে আবদুল কালাম ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন

তার মৃত্যু ঠিক সেভাবে হয়েছিল অকস্মাৎ যার অপেক্ষা করবার জন্য হয়তো দীর্ঘ প্রতীক্ষা করতে হয়নি কাউকে।

২০১৫ সালের ২৭শে জুলাই মেঘালয়ের শিলং শহরে ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ‘বসবাসযোগ্য পৃথিবী’ বিষয়ে বক্তব্য রাখার সময় সন্ধ্যা ৬:৩০ নাগাদ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে বক্তৃতা দিতে দিতেই মঞ্চে লুটিয়ে পড়েন। তাঁকে স্থানীয় বেথানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে ৭:৪৫ নাগাদ তাঁর মৃত্যু ঘটে।

তার কিছু উক্তি যা স্মরণীয়-বরণীয় অনুকরণীয়

০১. স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখো। স্বপ্ন সেটা যেটা তোমায় ঘুমোতে দেয় না।

০২. যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর, দেখো তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কিন্তু তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান করো, অমর্যাদা করো, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট করতে হবে।

০৩. সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।

০৪. সমস্যাকে কখনো এড়িয়ে যেতে চাইবে না। বরং সমস্যা এলে তার মুখোমুখি দাঁড়াবে। মনে রাখবে, সমস্যাবিহীন সাফল্যে কোনো আনন্দ নেই। সব সমস্যার সমাধান আছে।

০৫. জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।

০৬. প্রশংসা করতে হবে প্রকাশ্যে কিন্তু সমালোচনা ব্যক্তিগতভাবে।

০৭. একটি ভাল বই একশত ভাল বন্ধুর সমান কিন্তু একজন ভাল বন্ধু একটি লাইব্রেরীর সমান।

০৮. জাতির সবচেয়ে ভাল মেধা ক্লাসরুমের শেষ বেঞ্চ থেকে পাওয়া যেতে পারে।