চাঞ্চল্যকর ভিডিও, মুসলিম ধর্ম শিক্ষার আড়ালে ছাত্রকে পা দিয়ে লাথি,অমানবিক মার! 

0

সমাচার ডেস্ক: “এই হলো ধর্মশিক্ষার নমুনা। শিশু নির্যাতন, শিশু ধর্ষণ এখানে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। ধর্মের প্রতিষ্ঠান কি আদৌ দরকার সভ্য শিক্ষিত সমাজ গড়ে তোলার জন্য’? মোটেও না।”

এই কথাগুলো তিনি বলেছেন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে প্রথম তাচ্ছিল্য আর বিতাড়িত হবার ইতিহাস দেখেছেন। কখনো বাংলাদেশে কখনো পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরকারের। এপিঠ-ওপিঠ তিনি লক্ষ্য করেছেন। কিন্তু ধর্মের বিরুদ্ধে তিনি বারবার রুখে দাঁড়িয়েছেন। আবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও জারি করে দেখালেন ধর্মশিক্ষার এক বিকৃত রূপ!

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য তিনি কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুলেছিলেন অনেক বিষয় নিয়ে।একটা যুগ যখন শেষ হয় তখন সেই যুগের পায়ের চিহ্ন থেকে যায় প্রতি মুহূর্তে। কিন্তু তাসলিমা যুগ এখনো শেষ হয়নি। সেই যুগের এখনো অনেক ভান্ডার সামনে আসতে বাকি। কিন্তু তিনি তার দুঃখ উগরে দিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কিভাবে বাংলাদেশ সরকার তার বই নিষিদ্ধ করেছে। তার প্রতিবেদনে তুলে ধরলেন। শুধু বাংলাদেশ নয় তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাকে নিষিদ্ধ করেছিল বর্তমানে তিনি পশ্চিমবঙ্গে আস্তে পারেন না। সেই ক্ষোভ গ্লানি থেকেই তার এই পোস্ট।-“এভাবে আমার বইগুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

লজ্জা, আমার মেয়েবেলা, উতল হাওয়া, ক, সেইসব অন্ধকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা হবে না, ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত লাগবে ইত্যাদি বুলশিট কারণ দেখিয়ে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ সরকার। নিষিদ্ধ করে নারীবিরোধী মৌলবাদী অপশক্তিকে জিতিয়ে দিয়েছে।

এবার মাদ্রাসায় শিশু ধর্ষণ নিয়ে উপন্যাস নিষিদ্ধ করে ধর্ষকদের পক্ষে সরকার দাঁড়ালো। ধর্ষক যেহেতু ধার্মিক, তাই ধার্মিকের পক্ষে দাঁড়ালো সরকার। ধার্মিক যত অন্যায়ই করুক ধার্মিকের সাত খুন মাফ।” কিন্তু একটা প্রতিভাকে লেখনীকে এভাবে থামিয়ে দিতে পারে না একটা সরকার।

যে লেখনীর মধ্যে বাস্তবের পটচিত্র ধরা পড়ে সমাজের নগ্ন রূপ ধরা দেয় এক অচেনার আঙ্গিকে।”লেখকদের লেখা গল্প উপন্যাস কবিতা প্রবন্ধের বই জননিরাপত্তার জন্য কখনো হুমকি নয়। মাদ্রাসার শিশু ধর্ষকেরা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি।”

ভিডিওটি :