ক্যাবিনেটে কৃষি বিপণন মন্ত্রী হলেন দক্ষিন দিনাজপুর জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা বিপ্লব মিত্র 

0

জয়দীপ মৈত্র, দক্ষিন দিনাজপু: কৃষি বিপণন মন্ত্রী হলেন দক্ষিন দিনাজপুর জেলা তথা উত্তরবঙ্গের বর্ষীয়ান দাপুটে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা ২০২১ সালে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর বিধানসভার জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। সোমবার সকালে তিনি রাজভবনে শপথ গ্রহন করেন এরপর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির জরুরি বৈঠকে যোগ দেন।

বিপ্লব মিত্র কৃষি বিপণন মন্ত্রী হওয়ার খবর ছড়াতেই দক্ষিন দিনাজপুর জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে খুশির আবহ সৃষ্টি হয়েছে পাশাপাশি বাজি ফাটান কর্মীরা। প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচন শেষে ব্যাপক আসনে জয়লাভ করে বাংলার মসনদে বসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি, তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তিনি।

এরপরই রাজ্যের তৃণমল কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে সোমবার রাজভবনে নতুন মন্ত্রী সভার শপথ গ্রহন করলেন ৪৩ জন। পূর্ণমন্ত্রী পদে ২৪ জন ও প্রতিমন্ত্রী ও স্বাধীন দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী পদে ১৯ জন শপথ গ্রহন করেন। দক্ষিন দিনাজপুর জেলার ভূমিপুত্র তথা উত্তরবঙ্গের বর্ষীয়ান দাপুটে ও হেভিওয়েট তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বিপ্লব মিত্র কৃষি বিপণন মন্ত্রী হওয়ায় সারা জেলা জুড়ে খুশির আবহের সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত লোকসভা নির্বাচনের পর দক্ষিন দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবি হয় আর এরপর বিপ্লব মিত্র বিজেপিতে যোগদান করেন, কিন্তু কিছুদিন যেতেই তিনি ভূল বুঝতে পেরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন এরপর মমতা ব্যানার্জি তাকে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর বিধানসভায় প্রার্থী করেন সেখান থেকে তিনি বিপুল ও ব্যাপক ভোট পেয়ে জয়ী হন। বিপ্লব মিত্র জয়ী হওয়ার পর থেকেই তার অনুগামীরা সোশাল মিডিয়ায় বিপ্লব মিত্রকে মন্ত্রী করা হোক এই দাবিতে পোষ্টের ঝড় উঠতে থাকে। অবশেষে তার অনুগামী ও সমর্থকদের জল্পনার অবসান ঘটলো।

দক্ষিন দিনাজপুর জেলার ভূমিপুত্র তথা উত্তরবঙ্গের বর্ষীয়ান দাপুটে ও হেভিওয়েট তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা তথা এবছরের হরিরামপুর বিধানসভার জয়ী প্রার্থী বিপ্লব মিত্র পূর্ণমন্ত্রী পদে কৃষি বিপণন মন্ত্রী হলেন। আর সে খবর ছড়াতেই দক্ষিন দিনাজপুর জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে খুশির আবহের সৃষ্টি হয়েছে পাশাপাশি বাজি ফাটাতে থাকেন তারা। তবে বলাই বাহুল্য বিপ্লব মিত্র মন্ত্রী হওয়ায় সমস্ত জেলাবাসী খুশি হয়েছেন।