বর্তমানে সংগীত স্রষ্ঠার থেকে বিক্রেতার দাম অনেক বেশি :শান্তনু মৈত্র

0

সমাচার ডেস্ক:শান্তনু পরিণীতা ছবির গানে সুর দিয়েই আত্মপ্রকাশ করে। সে পনেরো বছর আগের কথা ,সরল মন ও ইচ্ছা শক্তি নিয়ে ছট্ফট্ করতো  এক শিল্পী শুধু মাত্র নিজের জাইগা করে নেবে বলে সবার মনে।তখন না ছিল সোশাল মিডিয়া। না ছিল অ্যাপ। শুধু শুভা মুদগলের সঙ্গে অব কে সাওন অ্যালবাম মুখে মুখে ফিরছে। বৃষ্টিভেজা রহস্যের ছোঁয়া লেগেছে তামাম স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের। এক ডাকে বিখ্যাত হয়েছেন শান্তনু মৈত্র।

মুম্বইয়ে নিজের স্টাডি রুমে বসে ইন্টারভিউতে ধরা দিলেন তিনি। পরিণীতা ছবি রিলিজের পনের বছর পার। 2005 সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবির গান আজও মন প্রাণ ভরায়। ” জানেন,  সেই সময়ে কিচ্ছু ছিল না আমাদের। উচ্চাশাও ছিল না। চাহিদাও নয়। শুধু ছিল সুর প্রকাশের ইচ্ছা। প্রদীপ (সরকার) আর আমরা শুধু একটা ভাল কিছু বানাব বলে তৈরি হচ্ছিলাম। দেখছিলাম বিদ্যা বালান কীভাবে পরিণীতা হয়ে উঠছে। কিন্তু পরিণীতা মুক্তির পর আত্মবিশ্বাস দশগুণ বেড়ে গেল।

আর তার পর, পরিণীতা। জানাল, প্লেব্যাক মিউজিকে নতুন বাতাস আসছে।বিশেষ করে আইফা অ্যাওয়ার্ড সেরিমনির পর মনে হল আমরা সব কিছু একটা ‘বনে’ গেছি। বিদ্যা সেলিব্রিটি হয়ে গেল। ” স্মৃতির নেশায় বুঁদ হয়ে গেলেন শান্তনু।

আজ সময় বদলেছে। হাতে হাতে গান। হাতের মুঠোয় অ্যালবাম। এসেছে আকণ্ঠ প্রচারের যুগ। কিন্তু শান্তনু মানুষটা বরাবর অন্যরকম। যেকোনও বক্তব্যে তিনি রাখেন একটি অন্যরকম দৃষ্টিকোণ। “পরিণীতা বহুল প্রচারিত ছবি ছিল না। তবু আজও মনে রেখেছে মানুষ, কারণ মনে থেকে গিয়েছে বলে। গেঁথে আছে বলে।

একটা সময় ছিলো যখন  প্রচার বলে সেভাবে কিচ্ছু ছিল না। গান হোক বা সিনেমা, সবাই নিজস্ব গুণেই দর্শকের মনে জীবন্ত হয়ে থাকত।আর এক্ষণ কোটি কোটি টাকার প্রচারও একটা গানকে প্রাণ দিতে পারে না, বাঁচাতে পারে না যুগের পর যুগ। সবকিছু শান্ত হয়ে গেলে, যা কিছু বেঁচে থাকে, তাই-ই ভাল কাজ। চিরন্তন, কালজয়ী গান। ” বললেন শান্তনু।