“প্রবাসী শ্রমিক” ঢুকতেই করোনার গ্রাসে বিপর্যস্ত আসাম! বঙ্গে “দাপুটে আম্ফান”

0

সমাচার ডেস্কঃ- গোটা বিশ্ব যখন করো না আর প্রবল গ্রাসে আচ্ছন্ন তখন পশ্চিমবঙ্গের উপকূল এখন প্রায় বিধ্বস্ত হয়ে গেছে আম্ফান এর ঝড়ের দাপটে। রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের এলাকাতো বটেই, সিইএসসি এলাকাতেও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। ঝড়ের গতিবেগ এতটাই তীব্র হচ্ছে যে ইতিমধ্যেই দুই চব্বিশ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী এলাকা ছাড়াও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে লণ্ডভণ্ড অবস্থা। গাছ, সিগন্যাল পোস্ট, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ার ঘটনা ঘটছে। সন্ধে পর্যন্ত দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে নবান্ন। তাই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

তাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কারও জীবনহানির ঘটনা ঘটবে না। এরপরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিরলস পরিশ্রম চালিয়ে নবান্নে থেকে সমস্ত বিষয় কে পরিচালনা করেছেন নিজের হাতে তিনি বলেছেন এমন সর্বনাশ হয়তো তিনি আর কলকাতায় কোনদিন দেখেননি! এছাড়াও করোনার প্রবল বাবা থেকেও এ নাকি আরও ভয়ঙ্কর। অন্য দিকে চোখ করলে দেখা যাবে যে অসম সরকার এখন অন্য কারণে হয়ে রয়েছে বিপর্যস্ত।

অসম সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, মোট ১৫৭ জন আক্রান্তের মধ্যে ১১৪ জন বর্তমানে হাসপাতালে রয়েছেন। ৪১ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। বাকি ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত দু’দিনে এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৫৭ শতাংশ। ধীরে ধীরে এই গ্রাফ আরও ঊর্ধ্বগামী হচ্ছে যার ফলে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে অসম সরকারের কপালে!

 

সোমবার থেকেই অসমে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত দু’দিনে অসমে ৫৭ জন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৪০ জন পরিযায়ী শ্রমিক যাঁরা গত কয়েক দিনে অন্য রাজ্যে থেকে ফিরেছেন। বেশিরভাগই রাজ্যের বিভিন্ন কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ছিলেন। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা কয়েক জনের শরীরেও কোভিড ১৯ নমুনা পাওয়া গিয়েছে।