ঘামাচি থেকে মুক্তি পেতে ৭টি উপায়

0

আলুর রস ঘামাচির সমস্যার সমাধানে একেবারে অব্যর্থ। পাতলা পাতলা করে আলু কেটে ত্বকের ঘামাচি আক্রান্ত অংশে মিনিট পাঁচেক ঘষুন। এ ভাবে দিনে অন্তত ২ বার ত্বকের যত্ন নিতে পারলে ঘামাচি সহজেই কমে যাবে।

অ্যালোভেরার রস প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিকের কাজ করে। ত্বকে ব্যাকটেরিয়া-ঘটিত র‌্যাশ, চুলকানিতে অ্যালোভেরার রস অত্যন্ত কার্যকরী।

 ঘামাচি সারাতে ছোলার ডাল বাটা একেবারে অব্যর্থ। সারা রাত ছোলার ডাল জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে ভাল করে বেটে নিন। এ বার ওই ডাল বাটা ঘামাচির ওপর লাগিয়ে মিনিট পনেরো রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

মসুর ডাল বাটার সঙ্গে কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে ত্বকের ঘামাচি আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রাখলেও ঘামাচি দ্রুত সেরে যাবে।

 ঘামাচি, র‌্যাশ, চুলকানির সমস্যায় মুলতানি মাটি ব্যবহার করে দেখুন উপকার পাবেন। ৪ চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে কয়েক ১ চামচ গোলাপজল আর আধা কাপ জল দিয়ে প্রথমে পেস্ট তৈরি করুন। এ বার ওই পেস্ট ত্বকের ঘামাচি আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে মিনিট কুড়ি রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

 বেসন, গোলাপজল আর মধু– এই ৩ উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন পেস্টের মতো তৈরি করে ত্বকের ঘামাচি আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রাখুন। মিনিট কুড়ি পর ঠান্ডা জল দিয়ে ভাল করে ঘষে তুলে ফেলুন।

 ঘামাচির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কাজে লাগাতে পারেন বরফ বা আইস কিউব। পাতলা সুতির কাপড়ে ৩-৪ টুকরো বরফ নিয়ে একসঙ্গে বেঁধে ফেলুন। এ বার ওই বরফের পুঁটলি আলতো করে ত্বকের ঘামাচি আক্রান্ত অংশে বুলিয়ে নিন বা একটু একটু করে চেপে ধরুন। দিনে অন্তত ৩-৪ বার এমন করতে পারলে ঘামাচির সমস্যায় ফল পাবেন ম্যাজিকের মতো।

সূত্র: অনলাইন