ডেস্ক রিপোটারঃ আরও কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ভোট হবে চতুর্থ দফার । রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দপ্তর সূত্রে খবর, চতুর্থ দফায় মোতায়েন হতে চলেছে ৫৫২ কম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী । অর্থাৎ আরও ২২৯ কম্পানি বাহিনী আসতে চলেছে রাজ্যে । সব ঠিক থাকলে এই সপ্তাহের মধ্যেই চলে আসবে অতিরিক্ত বাহিনী । কমিশন সূত্রে খবর, চতুর্থ দফায় ৯৮ শতাংশ বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ।

আগামী সোমবার চতুর্থ দফার ভোট । এই দফায় রাজ্যের আটটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন । গুরুত্বপূর্ণ এই দফায় নির্বাচন হবে বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, আসানসোল, বোলপুর এবং বীরভূম কেন্দ্রে । ইতিমধ্যেই বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক জানিয়ে দিয়েছেন আসানসোলে ১০০ শতাংশ বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী । পাশাপাশি এই দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বীরভূমে ।

অতীত রেকর্ড বলছে, বীরভূমের ভোট খুব একটা শান্তিপূর্ণ নয় । বোমা, গুলি ও অস্ত্রের ঝনঝনানি আর বীরভূমের ভোট যেন সমার্থক । তার উপর বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নকুলদানা, পাঁচনসহ একাধিক মন্তব্য নিয়ে এই নির্বাচনের শুরু থেকেই সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা । বিরোধীদের অভিযোগ, এবারের ভোটেও অশান্তি পাকাবে তৃণমূল । পাশাপাশি শিক্ষিক সংগঠনের সভায় অনুব্রত প্রতি বুথে ৫০০-৬০০ “পোল ভোট” করানোর নিদান দিয়েছিলেন ।

বিরোধীদের দাবি, ভোট কর্মীদের প্রভাবিত করে রিগিং হবে নির্বাচনে । তাই কমিশনের কাছে বীরভূমে শান্তিপূর্ণ ভোট পরিচালনা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ।অন্যদিকে, আসানসোলের খনি অঞ্চল নির্বাচনে উত্তপ্ত হয়েছে বারবার । জামুড়িয়া, রানিগঞ্জের মতো এলাকা বরারবরই স্পর্শকাতর । তার উপর ইদানিং আসানসোলে ঘটে গেছে বেশ কিছু গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা । তার উপর আসানসোল কেন্দ্র তৃণমূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে ।

সব মিলিয়ে কমিশনের নজরে রয়েছে আসানসোলও । কমিশনের নজরে আছে নদিয়া, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট লোকসভাও । বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এই লোকসভা কেন্দ্রের বহু বুথ স্পর্শকাতর । নির্বাচনী গন্ডগোলের জন্য কুখ্যাত কুপার্স ক্যাম্প । এই সব দিক নজরে রেখে পর্যাপ্ত সংখ্যক বাহিনী রেখে ভোট করতে চাইছে কমিশন । আজ বিশেষ পর্যবেক্ষক গেছেন বীরভূমে । সেখানে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর চূড়ান্ত হবে কোন লোকসভায় কত বাহিনী থাকবে ।