১ লা শ্রাবনঃদেবাদিদেব মহাদেব এই মাসেই বিষ ধারণ করে নীলকন্ঠ হয়ে বিশ্বকে রক্ষা করেন; তার চরণ আজ আশ্রয় স্থল

0

সমাচার ডেস্ক:পুরাণ অনুযায়ী, শ্রাবণ মাসেই সমুদ্র মন্থন করা হয়েছিল। বিশ্বকে বাঁচাতে মন্থনে উঠে আসা বিষ নিজের গলায় ধারণ করেছিলেন শিব। সেই বিশ্বাসেই আজও হিন্দুরা যে কোনও বিপদ থেকে রক্ষা পেতে মহাদেবেরই শরণাপন্ন হয়।

মহাদেব শিব যিনি এই গোটা বিশ্বের অধিশ্বর তার অগণিত ভক্তরা পয়লা শ্রাবণ মহা ধুমধামে পালন করত এই দিনটিকে কিন্তু আজ করোনারি ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সকলেই ভক্তি স্রোতে ভাসিয়ে দিয়েছে মহাদেবকে ঘরের অনেকেই আপনিও স্মরণ করুন পান তার অশেষ কৃপা।

একদিক থেকে ভারতের অবস্থা যুদ্ধ ও করোনার সাথে লড়াই। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জীবনে চলছে বেঁচে থাকারও টিকে থাকার লড়াই। ধ্বংস ও সৃষ্টির মাঝখানে মানুষ এখন অসহায়। তাই ভক্তরা স্মরণ করছেন দেবাদিদেব মহাদেব। প্রলয়ের মহাদেবতা শিবকে একমাত্র তারাই রক্ষা হতে পারে এই বিশাল ভূখণ্ড।

দেবাদিদেব মহাদেবের তৃতীয় চক্ষুই নাকি সমস্ত সৃষ্টি ধ্বংসের জন্য দায়ী। এমনটাই বর্ণিত আছে হিন্দু পুরাণে। প্রাচীন বিশ্বাস অনুসারে যখন সৃষ্টি ধ্বংস হয়, তখন মহাদেব তাঁর তৃতীয় চক্ষু ব্যবহার করেছিলেন। আর এই সমগ্র সৃষ্টি ধ্বংস হওয়ার সময়েই তৃতীয় চক্ষু উন্মীলিত হয় মহাদেবের।

ফুলের ক্ষেত্রে বাবা কিন্তু রঙিন ফুল একদমই পছন্দ করেনা না। তবে ধুতুরা এবং আকন্দ ফুল কিন্তু বাবার খুব প্রিয়। তাই ধুতুরা এবং আকন্দ ফুলের সঙ্গে তুলসী মঞ্জরী দিয়েও বাবাকে প্রসন্ন করতে পারেন। আবার বেল ফল হওয়ায় আগে বেল গাছে যে ফুল ফোটে, সেই ফুলও মহাদেব খুব ভালোবাসেন। সেই ফুল দিয়েও বাবার চরণে দেওয়া যেতে পারে।