৩০ সেপ্টেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায়, সেদিন আডবানি-যোশীদের হাজিরার নির্দেশ আদালতের

0

সমাচার ডেস্ক:১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর করসেবা করতে এসে অযোধ্যায় পনের শতকের প্রাচীন ওই মসজিদটিকে ভেঙে ফেলে করসেবকরা। অভিযোগ ওঠে লালকৃষ্ণ আডবানি, মুরলী মনোহর যোশী-সহ তিন বিজেপি নেতার নেতৃত্বেই উত্তেজিত করা হয়েছিল করসেবকদের। শেষপর্যন্ত তারাই ভেঙে ফেলে মসজিদ।

এল কে আডবানী, মুরলী মনোহর যোশী, উমা ভারতী, সুধীর কক্কর, রামচন্দ্র কাঠারি, কল্যাণ সিং, বিনয় কাটিয়ার, মহন্ত নিত্যগোপাল দাস, চম্পত রাই, সাক্ষী মহারাজ এদের কেই মূল অভিযুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মসজিদ ভাঙায় তাঁদের হাত থাকার কথা অস্বীকার করেন যোশী ও আদবানি। উমা ভারতী অবশ্য অন্য কথা বলেন। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যনে তিনি বলেন, রায় যাই হোক তাতে কিছু এসে যায় না। যদি ফাঁসি তাহলে তা আমার সৌভাগ্য। 

প্রায় তিন দশক পুরনো বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় দেওয়া হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর। লালকৃষ্ণ আডবানি, মুরলী মনোহর যোশী-সহ ওই মামলায় অভিযুক্ত ৩২ জনকেই আদালতের হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে সিবিআই আদালত।

মাসেই ওই মামলায় অভিযুক্ত ৩২ জনের বয়ান রেকর্ড শেষ করে আদালত।সুপ্রিম কোর্ট মামলা নিস্পত্তির সময় বেঁধে দেওয়ার পরও রায়দানের দিন ঠিক করতে এতটা দেরি হল।বছর জুলাই মাসে ওই মামলার রায়দানের সময়সীমা ৬ মাস বাড়িয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যায় ১৯ এপ্রিল। তার পর ফের রায়দানের সময়সীমা বাড়ানো হয়।